দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা বাতিল চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে মামলার কার্যক্রম চলতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। একই সঙ্গে আগামী ১বছরের মধ্যে বিচারিক আদালতকে মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুদকের পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। পরে ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ এবি বার্তাকে বলেন, দুদকের করা মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আমরা হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবো। আগামী রোববারই আবেদন করবো। গত বছরের ৩০শে মে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ড. ইউনূস সহ প্রতিষ্ঠানটির ১২ জনের নামে মামলা করে দুদক। গত ২৯শে জানুয়ারি এ মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়ার পর ড. ইউনূস সহ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। পরে ৩রা মার্চ আত্মসমর্পণ করে জামিন পান ড. ইউনূস সহ অপর আসামিরা। গত ১২ই জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) (৩) ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত ৮ই জুলাই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আমরা এই প্রতিশ্রুতি দিলাম আপনার ইমেইলটি গোপন রাখবো *