চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে ডা. শফিকুর রহমানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ওই সময়ের মধ্যে নতুন আমির নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে জানান, কেন্দ্রীয় সংগঠনগুলোর মেয়াদ তিন বছর।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পরবর্তী তিন বছরের জন্য নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়। যখন আমির নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা তিনজন প্রার্থীকে প্যানেলে রাখে।
শূরা সদস্যদের গোপন ভোটের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজনকে সারা দেশের রুকনদের কাছে জানানো হয়।
রুকনরা তাদের বিবেচনায় ভোট দেন। যিনি সর্বোচ্চ ভোট পান, তিন বছরের জন্য তিনি জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচিত হন। একজন রুকন চাইলে এই তিন জনের বাইরেও ভোট দিতে পারেন।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা হলে রুকনরা চিঠি পাবেন, যেখানে জানানো হবে কোন তিনজনকে প্যানেলে রাখা হয়েছে।
নতুন প্রার্থী ও ভোটের বিস্তারিত রুকনরা তখনই জানতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন প্রক্রিয়া জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নিয়মিত ও স্বাভাবিক, এবং দল সবসময় এটি নিয়মিতভাবে সম্পন্ন করেছে।
১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী আজ পর্যন্ত ছয়জন নেতাকে আমির হিসেবে নির্বাচিত করেছে। ১৯৫৬-১৯৬০ সালে মাওলানা আবদুর রহিম, ১৯৬০-১৯৭১ ও ১৯৯২-২০০০ সালে অধ্যাপক গোলাম আযম, ১৯৭৯-১৯৯২ সালে আব্বাস আলী খান (ভারপ্রাপ্ত), ২০০০-২০১৬ সালে মতিউর রহমান নিজামী, ২০১৬-২০১৯ সালে মকবুল আহমদ এবং সর্বশেষ ডা. শফিকুর রহমান ২০১৯ ও ২০২২ সালে দুইবার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।